• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Madan Mitra

রাজ্য

মদন মিত্রের গাড়িতে ডিম ছোড়া! ‘মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখলাম’ বলে বিস্ফোরক দাবি বিধায়কের

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রবিবার তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয় বলে দাবি। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।তবে ঘটনার সময় মদন মিত্র গাড়ির ভিতরে ছিলেন না। পরে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে তিনি নিজেই সেই কথা জানান। একই সঙ্গে ঘটনার জন্য এক বিজেপি কর্মীর দিকে আঙুল তোলেন তিনি। মদনের দাবি, আনোয়ার খান নামে ওই ব্যক্তি আগে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন।সরাসরি সম্প্রচারে মদন মিত্র বলেন, একসময় আনোয়ার তাঁদের সঙ্গেই মিশতেন। পরে রাজনৈতিক অবস্থান বদলান। তাঁর অভিযোগ, কামারহাটির সাম্প্রতিক অশান্তির পিছনেও ওই ব্যক্তির ভূমিকা রয়েছে।শুধু ডিম ছোড়াই নয়, মদন মিত্র আরও দাবি করেন যে ঘটনাস্থলে গুলি চলার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ নেই বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। তবে এলাকার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ্যে এলে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।মদন মিত্র জানান, তিনি দক্ষিণেশ্বরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময়ই এই ঘটনা ঘটে। তাঁর কথায়, তিনি মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তবে মানুষের আশীর্বাদ এবং ঈশ্বরের কৃপায় আবারও সকলের কাছে ফিরে আসতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।একই সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে তাঁর দলের এক কাউন্সিলরের বাড়ি কিছু দুষ্কৃতী ঘিরে রেখেছিল বলেও অভিযোগ করেন মদন। সেখানে ধর্মীয় স্লোগানও দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এই বিষয়ে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। হামলার অভিযোগ, পাল্টা রাজনৈতিক তরজা এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে কামারহাটিতে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বৃষ্টি স্নাত সান্ধ্য বর্ধমানে ক্ষণিকের উষ্ণতা মদনের 'ওহ লাভলি'

বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে এক বর্ণময় চরিত্র মদন মিত্র। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য হয়ে পুলিস নানা বিষয়ে তাঁর মন্তব্য বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বর্তমান ট্রেন্ড মিলিয়ে বলতে গেলে মদন মানেই ভাইরাল। এহেন প্রবীণ রঙ্গীন মানুষটি এবার সকলকে চমকে দিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির। টালিগঞ্জের খ্যাতানামা পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ওহ লাভলি ফিল্মে দেখা যাবে এই পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদকে। ২৫ অগাস্ট বাংলার বিভিন্ন হল ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ওহ লাভলি।এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে ঋক চট্টোপাধ্যায়কে। ঋক হলেন যমুনা ঢাকির অনুরাধা অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। এই ছবির হাত ধরেই ঋক বড়পর্দায় পা রাখছেন। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী পাল, দ্রোণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, তপতী মুন্সী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মৃন্ময় দাস সহ আরও কয়েকজন নবাগতকে। ওহ লাভলির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শুভঙ্কর-শুভম জুটি এবং আবহ সঙ্গীত নির্মাণ করেছেন এসপি ভেঙ্কটেশ।সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট (বিজয় তোরণ) প্রাঙ্গণে ছবির প্রচারে উপস্থিত হন। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে সারাদিন-ই ঝিরঝিরে বৃষ্টির চলছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কলাকুশলীদের নিয়ে হাজির হন প্রাক্তন মন্ত্রী-বিধায়ক-প্রবীন রাজনিতীক-গায়ক-অধুনা অভিনেতা মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতির এই অন্যতম জনপ্রিয় নেতা কালো ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত হয়ে মঞ্চে উঠতেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন তাঁর সান্নিধ্য। বরাবরই তিনি খুবই সাবলীল ও রসিক বক্তা।মদন মিত্র তাঁর ছোট্ট বক্তব্যের প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই শহরের কিছু সুন্দর মুহুর্তের কথা তুলে ধরেন। সেই সময়কার কিছু উল্লেখযোগ্য সহকর্মীর নামও বিশেষ করে উল্লেখ করেন তৃণমূল কর্মী শিবশঙ্কর ঘোষ, অরূপ দাস (আইনজীবী, কাউন্সিলার) ও খোকন দাসের (বিধায়ক) নাম। তিনি বলেন, আমি তখন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান জেলার অবজার্ভার ছিলাম, এমন একটা দিন যায়নি যে সেদিন কার্জন গেট চত্তরে কোনও জমায়েত করিনি, সেই বর্ধমান শহরেই তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সুচনাতে অভিনেতা মদন মিত্রকে বেশ পুলকিত মনে হল।ওহ লাভলি সিনেমাটি কেমন? সেই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের কামারহাটির বিধায়ক বলেন, একেবারে নতুন ছেলেমেয়েরা এই সিনেমায় অভিনয় করছে। টালিগঞ্জের নামজাদা চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী এই সিনেমাটির নির্দেশক। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সিনেমা হয়েছে যেমন ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস, চোখের বালি, কিন্তু একটি গানের একটি শব্দ দিয়ে সিনেমা পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম। ও লাভলি এই সিনেমাতে হাসি, কান্না, গল্প, গান সব রয়েছে।এই ছবি নিয়ে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, এই ছবিটি সপরিবারে দেখার মতো একটা ছবি। প্রথমবার এই ছবিতে মদন মিত্রকে অভিনয় করতে দেখবেন আপনারা। লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন মদন মিত্র। পরিচালক বলেন, আমরা সাদা চোখে যে মদন মিত্রকে দেখতে অভস্ত তাঁর যে ব্যক্তিত্ব, সেই আমেজ বজায় রেখেই এই ছবিতে এক নতুন অবতারে দেখা যাবে তাঁকে। অন্যদিকে, এই ছবি দিয়ে বাংলা ছবির জগতে প্রথমবার পা রাখছেন ঋক। অন্যদিকে রাজনন্দিনীকেও এমন গ্ল্যামারাস অবতারে প্রথমবার পাবেন বাঙালি দর্শক। আশা করি দর্শকের এই ছবি ভাল লাগবে। আগামী ২৫ শে অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

মদনের 'টপকে যাওয়া' মন্তব্যে চরমে বিতর্ক, পঞ্চায়েতে জোটেই সওয়াল বিজেপি সাংসদের

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে বাম-বিজেপি জোট ধরাশায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। তারপরই বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদের সার্বিক জোটের কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি জায়গায় জোট হবে। সবাই মিলে একসঙ্গে তৃণমূলকে হারাতে জোট বাধবে। যে জিতবে সেই প্রার্থীকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে মানুষ। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের এই জোটে আসতে আবেদন জানিয়েছে সৌমিত্র। এদিকে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক হুঁশিয়ারি করেছেন বাম-বিজেপি জোটকে। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্র বলছেন, এখানে বিজেপি-সিপিএম মনে করে এটাকেও নন্দকুমার বানাবো। এখানে সব খবর পাচ্ছি। কারা ভিতরে ঘোঁটবাজি করছে, নজর রাখছি। আস-যাওয়ার পথে সাবধানে থাকবেন। রাস্তায় খানা খন্দ আছে, বাম্পার আছে কখন কোথায় টপকে যাবেন তখন নিজেদের বুঝতে অসুবিধা হবে। মদন বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরে থেকে বিজেপির দালালি করেন। বাইরে থেকে গায়ে কালি মেখে নোংরামি করে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেন। তার ডোজ কী করে দিতে হয় তা তৃণমূলের কর্মীরা ভাল করে জানে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রর কথায়, কিভাবে তৃণমূল নেতারা রাস্তায় হোচোট খাচ্ছেন তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তায় হোচোট খেতে খেতে পার্থ জেলে, অনুব্রত জেলে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

ভাসমান মদন কার উদ্দেশে গাইলেন? "না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য .........."

কামারহাটির তরুণ তুর্কি বিধায়ক মদন মিত্র আবার ফেসবুকে লাইভে এসে মাতালেন নেট-নাগরিকদের। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দলীয় মিটিংয়ে দিদির কাছে মৃদু সহানুভুতীশীল ধমক খাওয়া মদন আবার স্বমহিমায়। দেরি করে মিটিংয়ে পৌঁছালে, মমতা তাঁকে দেরির কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই নাকি তাঁর একটু দেরি হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ফেসবুক লাইভে ধরা দিলেন কামারহাটির জনপ্রিয় মদনদা। আদুড়ে গায়ে নীল জলে ভাসতে ভাসতে স্বমহিমায়। শরীরে যৎসামান্য পোশাকে সুইমিং পুলে জলকেলি করতে করতে একেবারে মদনসুলভ খোশমেজাজে লাইভে এলেন মদন মিত্র। জলে চিৎ সাঁতার দিতে দিতে বললেন ছোট বেলায় পড়েছি, বৈ়জ্ঞানিকরা বলতেন জ্ঞানসমুদ্রের তীরে নুড়ি কুড়িয়েছি মাত্র। তখন মানেটা বুঝতে পারিনি। এখন বুঝতে পারছি, ক্যাবিনেট মন্ত্রী থেকে দলের সর্বভারতীয় যুব তৃণমূলের প্রেসিডেন্ট হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক সমুদ্রের কূলে নুড়ি কুড়োতে পারিনি।মনে যে তাঁর গভীর যন্ত্রণা তা মদন মিত্রের বক্তব্যের মধ্যে ফুটে বেরচ্ছিল। তিনি জানান রাজনীতির তীরে নুড়ি কুড়োতে না পেরে সুইমিং পুলেই নুড়ি কুড়োতে নেমেছেন। ২০২১ শের বিধানসভা নির্বাচনে কামারহাটির মতো আসন থেকে জিতে এসে তিনি আশা করেছিলেন, হয় তো বা নুড়ি কুড়োতে গিয়ে মাণিকের সন্ধান পেয়েও যেতে পারেন। মদন মিত্র সংবাদমাধ্যমকে উদ্দেশে বলেন, দয়া করে আমাকে প্রেস করবেন না। অযথা আমাকে বিরক্তও করবেন না। মদনের এই বক্তব্যে খানিকটা শ্লেষ আছে। গত বৃহস্পতিবারের দলীয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেরি করে পৌঁছানোর জন্য মৃদু সহানুভুতীশীল ধমক খান মদন। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই নাকি তাঁর দেরি হয়েছে। তাঁর উত্তর শুনে মদনকে মমতা বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এত কথা বলার কী আছে? তাঁর একদিন কাটতে না কাটতেই লাইভে এসে তাঁকে প্রেস কথা উচ্চরণ করে কি অন্য বার্তা দিতে চাইলেন?জলে উল্টো সাঁতার দিয়ে ভাসতে ভাসতে গুনগুন করে গান করতে থাকেন কখনও, কেউ কথা কোয়ো না, কেউ শব্দ কোরো না, ভগবান নিদ্রা গিয়েছেন, গোলযোগ সাইতে পারেন না... কখনও বা না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য ....। গান শেষ হতেই তাঁর ট্রেডমার্ক আওয়াজ ওহ্ লাভলি! ভসতে ভাসতে মদন মিত্রের মুখ থেকে অনেক শ্লেষ ও খেদোক্তি ঝড়ে পরতে শোনা গেলো। যাঁরা রাজনীতির সমুদ্রে সাঁতার কাটতে চান, তাঁদের জীবনের সমুদ্রে সাঁতার...... কাদের নিদান দিলেন মদন মিত্র?

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Didi no 1 : প্রথমবার সস্ত্রীক মদন মিত্র, জমিয়ে দিলেন দিদি নাম্বার

রচনা ব্যানার্জি কেন দিদি নং ১ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল। দিদির সৌজন্যেই প্রথমবার দেখা গেল সস্ত্রীক মদন মিত্রকে। মদন মিত্রকে এতদিন যেখানেই দেখা গেছে না কেন সব লাভলি মহিলাদেরকেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার দিদি নং ওয়ানে সস্ত্রীক মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, রচনার সৌজন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এক মঞ্চে, এক অনুষ্ঠানে। সে দিক থেকেও ইতিহাস গড়ল রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ। একই সঙ্গে মিষ্টি অনুযোগ, অপেক্ষায় ছিলাম, কবে রচনার শো-তে ডাক পাব! অভিমানও হত, রাজনীতি করি বলেই কি আমাদের ডাকেন না রচনা? আজ আর আমার কোনও অভিমান নেই!দিদি নং ওয়ানে রচনা ব্যানার্জি মদন মিত্রর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন দাদার চারপাশে এত সুন্দরীদের ভিড়। আপনি কখনও থাকেন না। ভয় হয় না? উত্তরে অর্চনা বলেন, ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে! সঙ্গে সঙ্গে কামারহাটির বিধায়কের সেই বিখ্যাত সংলাপ, ওহ! লাভলি...।তবে শুধু মদন মিত্র নন। উপস্থিত ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চ্যাটার্জি, শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী মানুষও। সকলকে নিয়ে বেশ মজা করতেই দেখা যায় দিদি নাম্বার ওয়ান কে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

NGO : স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্বপ্নপূরণের উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠান

মুন সাহা ও সোমা সরকারের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্বপ্নপূরণ-এর উদ্যোগে মানবধর্মী একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হল। পথশিশু, গৃহহীন শিশু এবং বৃদ্ধদের পাশে তারা দাঁড়াল যারা প্রতিদিন বেঁচে থাকার লড়াই করছে। এই মহৎ উদ্দেশ্যের প্রধান অতিথি ছিলেন দেবাশীষ কুমার এবং মদন মিত্র। এছাড়া অলকানন্দা রায়, সোহাগ সেন, এনা সাহা, সমিধ, রিমঝিম গুপ্ত, রাতাশ্রী দত্ত, চৈতালী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ স্বপ্নপুরনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সমাজকর্মী রঞ্জিতা সিনহা ছিলেন এই অনুষ্ঠানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এনা সাহা এদিন জানান, আজকে স্বপ্নপূরণে এসে খুব ভালো লাগছে। এরকম ভালো একটা উদ্যোগ। অল দ্য বেস্ট মুন দি ও সোমা দি। আই অ্যাম উইথ দেম। আশা করছি সবকিছু খুব ভালো করে হবে। রাতাশ্রী দত্ত জানালেন, মুন দি দারুণ একটা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন যে পথশিশু, বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের নিয়ে তাদের একটা আশ্রয় গড়ে তোলা। আমার মনে হয় এই ইনিশিয়েটিভের সাথে সকলের থাকা উচিত যাতে আমরা একটু হলেও সমাজের কাজে লাগতে পারি।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Arsalan : আরসালান এখন কলকাতা ছাড়িয়ে ব্যারাকপুরে

কলকাতার বিরিয়ানির সঙ্গে আরসালান ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। যারা কলকাতার বিরিয়ানি ভালোবাসেন তাদের পছন্দের ফুড জয়েন্ট আরসালান। এই আরসালান এবার কলকাতা ছাড়িয়ে অনেকটা দূরে। ব্যারাকপুরে তাদের নতুন ব্র্যাঞ্চ খুলল। উপস্থিত ছিলেন রাজ চক্রবর্তী, মদন মিত্র সহ আরো অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে নতুন মেনু নিয়ে হাজির হচ্ছে হোয়াটস অ্যাপ ক্যাফেএদিন রাজ চক্রবর্তী জানান, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে খুব ভাল লাগছে। কলকাতার জিভে জল আনা সেরা বিরিয়ানি প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্ণধার আকতার পারভেজর বহু প্রচেষ্টার ফলে আজ আমার আরসালান কে এই ব্যারাকপুরে তাদের ১০ তম রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন করলেন। ২০০২ সালে পথ চলা শূরূ আর এই ক বছরে মানুষের চাহিদা নোলা মিটিয়ে চলেছে। আশা করব আগামি দিনে আরও বড় হয়ে উঠক এই কামনা করি। আরও পড়ুনঃ মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালকমদন মিত্র জানালেন আরসালান এর বিরিয়ানি তার প্রিয়। তাই তিনি এতদূরেও এসেছেন। তবে তিনি এই বিশেষ দিনে জানালেন কামারহাটিতে যদি আরসালানের নতুন ব্র্যাঞ্চ খোলা হয় তাহলে তার আরো ভালো লাগবে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

Madan-Dilip: বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতা

রাজ্য রাজনীতিতে একে অপরের দিকে তীর্যক বাণ ছুড়তেই অভ্যস্ত তাঁরা। আর সাধারণও তা্ই দেখতেই অভ্যস্ত। কিন্তু সম্প্রতি বাংলার রাজনীতিতে এমন রঙিন রসিকতা শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা হিসেব করতে বসেছেন অনেকেই। তৃণমূলে হিরো একজনই, বিধানসভায় মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা হতেই বললেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?মঙ্গলবার বিধানসভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে মাল্যদান করতে আসেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ। বিধানসভায় শ্যামাপ্রসাদের ছবিতে মাল্যদানের পর লবিতেই বসে দলীয় বিধায়কের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। এমন সময় কাছ দিয়েই যাচ্ছিলেন মদন। তাঁকে আসতে দেখেই হাত নেড়ে দাঁড় করান দিলীপ।প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদনের পরনে ছিল জমকালো সোনালি কাজ করা কালো পাঞ্জাবি। এমন পোশাক দেখে কৌতূহলী দিলীপ প্রশ্ন করেন, এরকম পাঞ্জাবি কপিস আছে আপনার? খাসা পাঞ্জাবি পরেছেন একখানা। ম়ৃদু হেসে জবাব দেন মদন। তিনি বলেন,একপিসই।হাসতে হাসতেই মদন আরও বলেন, দুপুরে একটু বেরিয়েই ভিজে জবজবে হয়ে গেলাম বলে পোশাকটা পাল্টে এলাম। এরকম পাঞ্জাবি এই একটাই আছে আমার। পাল্টা হাসিতে বিজেপি সভাপতি বলেন, আপনার দলে তো হিরো বলতে তো একজনই আছে, সেটা মদন মিত্র। দিলীপের কথা শুনে হাসতে থাকেন মদন। তারপর অবশ্য বেশিক্ষণ দাঁড়াননি মদন। হেঁটে চলে যান অধিবেশন কক্ষে।কিন্তু কট্টর প্রতিপক্ষের সঙ্গে এমন ২ মিনিটের রসিকতায় মন ভরেছে সকলেরই।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজনীতি

ফেসবুক লাইভ নিয়ে মদনকে ভর্ৎসনা মমতার

দলের সাংগঠনিক বৈঠকে ফেসবুক লাইভ নিয়ে দলনেত্রীর কাছে একপ্রকার ধমক খেতে হল কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে । তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদনকে সাফ জানিয়ে দিলেন, এভাবে সামাজিক মাধ্যমে যখন তখন সব কথা বলা যায় না। যদিও মিটিং শেষে মদনবাবু বললেন, দলনেত্রী তাঁকে ফেসবুক লাইভগুলি আরও সুন্দরভাবে করতে বলেছেন।গতরাতে ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র প্রকাশ্যেই বলে বসেন, কামারহাটির পুর প্রশাসকের দায়িত্ব আমাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন। তিন মাসে সব বদলে দেব। কলকাতা শহরের চেয়েও উন্নত করবেন কামারহাটিকে। যা তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। আজ দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ না করলেও মদন মিত্রকে মমতা তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল নেত্রী মদনকে স্পষ্ট সাবধান করে দিয়েছেন, এভাবে যাতে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কিছু না বলেন। যদিও, বৈঠক শেষে মদনের প্রতিক্রিয়া, দলনেত্রী আমাকে বলেছেন, তোমায় সবাই ভালবাসে। তুমি তোমার ফেসবুকগুলো আরও সাজিয়ে-গুছিয়ে সুন্দর ভাবে করবে। যাতে আমাদের সুবিধা হয়। সাংগঠনিক বৈঠকে বড় কোনও পদ পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁর বক্তব্য, সুন্দর কমিটি হয়েছে। বেস্ট টিম ইন দ্য হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। এদিন ফের একবার ফেসবুক লাইভে এসে নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে অভিমানও প্রকাশ করেন তিনি।

জুন ০৫, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১
কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

পরিবহণ কমিটির দায়িত্বে মদন মিত্র

পরিবহণ দফতরের একটি কমিটির দায়িত্বে এলেন মদন মিত্র। নবান্ন সূত্রের খবর, পরিবহণ কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের দেখভাল করার জন্য প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রের নেতৃত্বে একটি নতুন কমিটি গড়ল রাজ্য সরকার। রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রের খবর, অসংগঠিত বা অবহিত না হওয়ার কারণে অনেক পরিবহণ কর্মী রাজ্য সরকারের সব প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। সেই বিষয়টিই তত্ত্বাবধান করার জন্য মদন মিত্রের নেতৃত্বে এই নতুন কমিটি গঠন করা হল। ইতিমধ্যেই যার বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। আরও পড়ুন ঃ কো ভ্যাক্সিনের তৃ্তীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হতে চেয়ে আবেদন রাজ্যপালের উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেন পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব থেকে। ইস্তফা দেওয়ার পরে পরিবহণ দফতর নিজের হাতেই রেখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সমস্ত প্রকল্প ধরে ধরে দফতরের পরিস্থিতি তদারকি করা মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারি সূত্রের খবর, প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী হিসেবে মদন মিত্রের পরিবহণ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগও তিনি করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থা ও ইউনিয়নের সাথে তার যোগাযোগ নিবিড়। তাই এই কাজের দায়িত্ব মদন মিত্রকে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটিতে মদন মিত্র ছাড়াও রয়েছেন পরিবহণ ডিরেক্টরেট-এর ডেপুটি ডিরেক্টর, এক জন ডেপুটি সচিব এবং বিভিন্ন পরিবহণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগেই নারদ কাণ্ডে ফের নোটিস পাঠানো হল তিন তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তিন তৃণমূল নেতার কাছে নোটিশ পাঠিয়ে আয়-ব্যায়ের হিসেব জানতে চেয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একটি সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে দেখা যায়, টাকা নিচ্ছেন একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা। এরপরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইডি-সিবিআই। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম এর আগেও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে নারদায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের কাছে। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনীতির পারদ। এই অবস্থায় ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইডির এই নোটিশ পৌঁছন গোটা ঘটনায় নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal